বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বেলটা সিলেট চ্যাপ্টার এর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা: ইংরেজি শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার  বিশ্বম্ভরপুরে কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি রোধে গণসচেতনতা মূলক প্রচারণা পলাশ ইউপিকে নাগরিক সমস্যা মুক্ত হিসেবে গড়ে তুলবো- নুরুল আলম সিদ্দিকী মধ্যনগর মহিলা সমবায় সমিতির কার্যালয় সাবেক সভাপতির দখলে বাংলাদেশ ইংলিশ ল্যাংঙ্গুয়েজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলটা) কমিটি ঘোষণা বিশ্বম্ভরপুরে হাঁস মুরগি পালন প্রশিক্ষণ বাদাঘাট(দঃ) ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী জামাল হোসেনের নির্বাচনী ইশতেহার বাদাঘাট (দঃ) ইউপিকে নাগরিক সমস্যা মুক্ত হিসেবে গড়ে তুলবো- জামাল হোসেন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশ্বম্ভরপুরে আউশ ধানের ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আব্দুর রহমান

জাকির হোসেন রাজু:: মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দি গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান। তিনি ২ বছর আগে ৫২ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে বারি-১ জাতের মাল্টার চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার বাগানের প্রায় ৮০ভাগ গাছে ফলন আসায় তার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি গ্রামের আব্দুর রহমান পেশায় একজন কৃষক। তিনি প্রায় ১৯বছর সৌদি আরবে প্রবাস ছিলেন। সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে তিনি ছাগল ও গরু পালনে লাভবান হওয়ায় ভিন্ন কিছু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে মাল্টা চাষের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ২০১৯ সালের জুন মাসে উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বিধুর অনুপ্রেরণা এবং কৃষি অফিসে সহযোগিতায় তিনি সিদ্ধান্ত নেন মাল্টার আবাদ করার। পরে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ১৬৬টি মাল্টার চারা নিয়ে ৫২শতক জায়গাতে রোপন করেন। কৃষি অফিসের পরামর্শ মতো পরিচর্যা করতে শুরু করেন। তিনি বলেন তার ক্ষেতের উৎপাদিত চারার কোন রোগ বালাই নেই বললেই চলে। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত পরিচর্যা করায় ২ বছরের মাথায় প্রায় ৮০ভাগ গাছে অসংখ্য ফল ধরেছে। তার ক্ষেতের মাল্টা সুস্বাদু। গাছে যেভাবে ফল ধরেছে তাতে প্রতিটি গাছে ২৫ থেকে ৩০ কেজি মাল্টা হবে বলে তিনি আশাবাদি। প্রতি কেজি মাল্টা ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি করছেন বলে তিনি জানান। প্রথম বছরের এতো ফলন দেখে তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।  তিনি জানান, মাল্টার চারা রোপনের সাথে সাথে মাটি ভরাটসহ বাগানের চারিদিকে নিরাপত্তা রক্ষায় বেষ্টনি নির্মাণ করেন।

বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ করতে এই পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় দুইলাখ টাকার মতো। মাল্টা বাগানের ভেতরে সহযোগি সবজি চাষও করেছেন তিনি। প্রথম বছর সবজি চাষে ভাল লাভ হয়েছে। এখন বাগানের মাল্টা গাছের ফাঁকে ফাঁকে শসা, ঢেঁড়স, মরিচ, টমেটো, লাউ ইত্যাদি চাষ করবেন বলে জানান।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উপসহকারি কৃষি মোহাম্মদ সামছুল আলম বিধু বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের টাকা দিয়ে ২০১৯ সালের জুন মাসে আব্দুর রহমানকে ১৬৬টি মাল্টার চারা কিনে দেওয়া হয়। এবছর তার বাগানে ফল ধরেছে। আমরা কৃষি অফিস থেকে তাকে সবসময় সহযোগিতা দিয়ে আসছি। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নয়ন মিয়া (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, এ দেশের আবহাওয়ায় বারী -১ জাতের মাল্টা খুবই উপযোগী। খেতেও খুব সুস্বাদু। এ জাতের কমলা ও মাল্টা আবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন




 

 

 

 

© 2017-2021 All Rights Reserved Amadersunamganj.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!