রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১১:২৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সোনাপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে এম.পি মানিককে সংবর্ধনা শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদে ১০ বছর ধরে চাকরি! প্রকাশিত হয়েছে তরুণ লেখিকা হাসিনা হাসি’র উপন্যাস ‘গহীনে শব্দ’ যাদুকাটা নদী থেকে বালু পাথর উত্তোলন বন্ধ: বছরজুড়ে বেকার লক্ষাধিক শ্রমিক আসছে তরুণ লেখক জাকির হোসেন রাজু’র বই ‘না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব’ কবিতা : কলম সৈনিক : আমিনুল ইসলাম সিলেট বিভাগীয় বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এড. আবুল হোসেন বিশ্বম্ভরপুরে শ্রমিক লীগের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ শাখা যাদুকাটা নদীর ভাঙ্গন: বিলিনের পথে বাগগাঁও-ডালারপাড় গ্রাম বাদাঘাট (দঃ) ইউপি নির্বাচন: আ’লীগের মনোনয়ন চান জামাল হোসেন
শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদে ১০ বছর ধরে চাকরি!

শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদে ১০ বছর ধরে চাকরি!

বিশেষ প্রতিবেদক:: সুনামগঞ্জে এক শিক্ষক, শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদ দিয়ে প্রায় ১০ বছর ধরে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে সম্প্রতি ওই শিক্ষকের বিরোদ্ধে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) ফিরোজ আহমদ। তার নিবন্ধন রোল নং-১১০১৪২৯৬, রেজি ঃ নং-৮০১৪০৩৮৭/২০০৮, ইনডেক্স নং- ১০৫২০৯৫।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এলাকাবাসীর জানা মতে দীর্ঘদিন ধরে মন্ত্রনালয় কর্তৃক নির্দেশিত এন.টি.আর.সি এ এর ওয়েব সাইটে জাল নিবন্ধন সার্টিফিকেট তদন্ত করা হচ্ছে। হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের নিবন্ধন সার্টিফিকেট ওয়েব সাইটে দেখালে সাকসেস দেখাচ্ছে, কিন্তু মো. ফিরোজ আহমেদ এর নিবন্ধন সার্টিফিকেট ওয়েব সাইটে শো করলে নো আনসার দেখাচ্ছে। এছাড়াও অভিযোগে এলাকাবাসী ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রাফিজ আলী বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে জেনেও বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে এখনও অবহিত করেননি বলে উল্লেখ করেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ফিরোজ আহমদ এর মুটোফোনে যোগাযোগ করার জন্য একাধিবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে হাজী কনু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাফিজ আলী জানান, গত ১৯ তারিখ তারিখে একটা মিটিং করেছি। মিনিংয়ে চারটি সিদ্ধান্ত হয়েছে, এক নম্বরে ওনাকে কারণ দশানোর নোটিশ করবো, দ্বিতীয়ত এন.টি.আর.সি এর সনদ যাচাইয়ের জন্য চিঠি দিবো , তৃতীয়ত আমাদের সিদ্ধান্তের যে রেজুলেশন তার কপি জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয়কে রেজুলেশন প্রদান করবো। আর ৪নম্বর সিদ্ধান্ত হলো যদি সনদ বাচাইয়ে তার সনদ ভুয়া হয় তাহলে ওনার বিরোদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফতেহফুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে আমরা এডহক কমিটি জরুরি সভা ডেকেছিলাম। সভায় রেজোলেশন করে তার বিষয়ে চারটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আমরা এন.টি.আর.সি সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। এছাড়াও আমরা আগামিকাল কে মিটিং ডেকেছি।

দোয়ারাবাজার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান ভুইয়া জানান, বিষয়টি তদন্ত করে ওনার সার্টিফিকেট এনটিআরসিএতে প্রেরণ করেছি, এখন ওনার সার্টিফিকেট যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে এননটিআরসি।

শেয়ার করুন




 

 

 

 

© 2017-2020 All Rights Reserved Amadersunamganj.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!